নীলফামারী জেলা পুলিশের উদ্যোগে ধান কাটা কৃষি শ্রমিক বিভিন্ন জেলায় প্রেরণ।
মোঃআবু তাহের নীলফামারী জেলা ব্যুরো প্রধানঃ
প্রধান মন্ত্রীর ঘোষণা, মুজিব বছরের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার। নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মোখলেছুর রহমান বিপিএম-পিপিএম তা প্রমাণ করিয়ে দিলেন। করোনা ভাইরাসে কানায় কানায় পূর্ণ পুলিশ হাসপাতাল, তবু লড়াইয়ে অবিচল নীলফামারীর পুলিশ সুপার।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরির নির্দেশে, আন্তজেলা সংযোগ কারি ১১ টি চেকপোস্ট সহ ওয়ার্ড ইউনিয়ন উপজেলা ও জেলায় মনিটরিং কমিটি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ ও প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদস্য যেনো আক্রান্ত নাহয় সজাগ আছে। এরপরেও কেউ আক্রান্ত হয়ে যায়, এজন্য তিন স্তরের টিম গঠন করেছে ক্লাস্টার ওয়ান- ক্লাস্টার টূ -ক্লাস্টার থ্রী
মোঃ মোখলেছুর রহমান নিজেই গিয়ে ছয়টি থানার, ৬০ টি ইউনিয়ন গুলোর প্রতিটা ওয়ার্ডে যেয়ে ০৬ থানার আন্তরিক ওসিদের ও পুলিশ সদস্য দের সহযোগিতা ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
এমনকি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে বগুড়া,নাটোর,নওগাঁ, গাজীপুর,টাঙ্গাইল,কুমিল্লা,বরিশাল,ভোলা ও
হাওর অঞ্চল সহ বিভিন্ন জেলায় ধান কাটা কৃষি শ্রমিকের সংকট দেখা দেয়।
সংকট মোকাবেলায় গত ০৪-০৫-২০২০ তাং থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে আগ্রহী ধান কাটা কৃষি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে উর্ত্তীণ হয়ে জেলা পুলিশ,নীলফামারীর সহযোগিতায় জেলার ০৬ টি থানা হতে সর্বমোট ১৩ হাজার ৮৪৪ জন শ্রমিককে নির্বাচিত করে ধান কাটা কৃষি শ্রমিক হিসেবে শ্রমিক সংকটময় জেলা গুলোতে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ সুপার মোঃ মোখলেছুর রহমান বলেন দেশের এই সংকটময় করোনায় ঝুঁকি সত্ত্বেও অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে পুলিশ সদস্যরা আছে। এমনকি মাদক চুরি ছিনতাই সহ সকল বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের নজরদারিতে আছে এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি, আর অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবেনা সে যেকোনও ব্যক্তি হউক না।
