যোগীপোল ইউনিয়নের ত্রাণ বিতরণ সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত।
খুলনা ব্যুরো প্রধান জিয়াউল ইসলামঃ
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এ দেশের কর্মহীন অসহায় নিম্নআয়ের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের অনিয়মের অভিযোগ এবং দলের বিরুদ্ধে কটূক্তি ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার বিকাল চারটায় ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ফুলবাড়িগেট বঙ্গবন্ধু চত্বরে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুমা খন্দকার মুন্নির সভাপতিত্বে এবং মহিলা নেত্রী অম্বিকা রানী মন্ডলের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ৩৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইউসুফ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা যুবলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রুপম, ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলাম, বক্তৃতা করেন মুনসুর শেখ, সুমন খন্দকার, কাজী আব্দুল কাদের, মনির মল্লিক, রত্না বেগম, নাজমাবেগম, মনিরা বেগম, লাকি বেগম, আয়েশা বেগম, মালতি হালদার, মরিয়ম বেগম, জিনিয়া আকতার, তানজিলা বেগম, নিলুফার ইয়াসমিন, ফাতেমা বেগম, রহিমা বেগম, রোকেয়া বেগম, তাহেরা বেগম, ফজিলাবেগম, মনিরা বেগম, ভানু বেগম, লিলি বেগম, কাকলি বেগম, হাবিবা খান, আব্বাস, আলম মোল্লা, নজরুল ইসলাম, সাইদুল, কদম আলী রেজাউল মোল্লা হারুন, শেখ দেলোয়ার, শোহেল রানা, সিদ্দিকুর রহমান, জহুরুল হক, মেহেদী হাসান, মিরাজুল হাওলাদার সহ আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা এ সময় বলেন যোগীপোল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ বরাবরের মতো সরকারের ত্রাণ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতির কারণে যারা এ সকল ত্রাণসামগ্রী পাওয়ার দাবীদার তারা তাদের প্রাপ্ত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সভার প্রধান অতিথি বলেন, পূর্বে ভিজিডি ভিজিএফ এবং ১০টাকা কেজি চাউল বিতরণ সহ বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দের অনিয়মের বিষয়ে ইউনিয়ন বাসী অবগত হলে, প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তির ছত্রছায়ায় সকল অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত করে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন বর্তমান দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী নিম্নআয়ের অসহায় মানুষকে রেশনের আওতায় এনে সহযোগীর যে মহা-উদ্যোগ নিয়েছে সেখানেও, কেন্দ্র ও মহানগর আওয়ামী লীগের নিয়ম-নীতি বাইরে গিয়ে ওয়ার্ড ত্রাণ কমিটিকে পাশ কাটিয়ে নিজস্ব লোকের মাঝে রেশন কার্ড বিতরণের পাঁয়তারা করছে। এই ঘটনা জানতে পেরে ইউনিয়নের শতশত অসহায় মানুষ গত বুধবার দুপুরের পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে অবরুদ্ধ করে রাখে, পরে প্রশাসনের বিভিন্ন বাহিনী তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ সময় সাংবাদিক সহ দলীয় কর্মীরা ছবি তুললে প্রশাসনের এক ব্যক্তির অসদাচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অবিলম্বে ইউনিয়ন পরিষদের সকল অনিয়মের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং আওয়ামী লীগ কে নিয়ে কটুক্তি ও মিথ্যা অপপ্রচার কারীর বিচারের দাবি জানান।
