ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতি, স্থানীয় জনতার সাংবাদিক সম্মেলন।

 প্রকাশ: ১৭ মে ২০২০, ০৬:৩২ অপরাহ্ন   |   জাতীয়


খুলনা ব্যুরো প্রধান জিয়াউল ইসলামঃ

ইউনিয়নের বরাদ্দকৃত সরকারি বিভিন্ন অনুদান বিতরণ অনিয়ম-দুর্নীতি এবং এবং আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা দাবি দিঘলিয়া উপজেলার ৬ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের জমি আছে ঘর নেই হতদরিদ্রদের জন্য ভিজিএফ, ভিজিডি কার্ড ও  করোনা ভাইরাসে প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত সাহায্য তালিকা অনিয়ম প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগী প্রতিবাদকারী মা- বোনদের সাথে অশ্লীল অসৌজন্যমূলক আচরণসহ সরকারি বিভিন্ন অনুদানে বিতরনে অনিয়ম- দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় স্থানীয় খানাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলন করেন যোগীপোল ইউনিয়ন বাসীর  পক্ষে- জাতীয় নির্বাচনের সেন্টার কমিটির মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব নিলুফার ইয়াসমিন। সংবাদ সম্মেলনে দুই পাতার লিখিত  বক্তৃতায় চেয়ারম্যান শেখ আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ত্রাণ তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশনা উপেক্ষা করে চেয়ারমেনর নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে বাদ দিয়ে তালিকা প্রণয়ন করেন। বিষয়টি ইউনিয়ন বাসী জানতে পেরে গত  ৬মে ইউনিয়ন কার্যালয়ে চেয়ারম্যানকে ঘেরাও করে পরে সেনাবাহিনী সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এসে তাকে উদ্ধার করে। সংবাদ সম্মেলনে বলেন চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান এর আগে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের বিনামূল্যে ঘর দেওয়ার কথা থাকলেও শত শত মানুষের কাছ থেকে ১০হাজার/ বিশ হাজার টাকা করে নিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা চলমান রয়েছে। সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত হতদরিদ্রদের জন্য ভিজিডি, ভিজিএফ, বয়স্ক, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দকৃত কার্ডের অনিয়ম অভিযোগ রয়েছে এ সকল ভুক্তভোগীদের অনেকেই খুলনা জেলা প্রশাসকের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেছে যাহার তদন্ত  চলমান। চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করলে তাকে জীবন নাশের হুমকিসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয় সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় স্বাধীনতার স্থাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালে হত্যার পরে চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতিতে জড়িত ছিল ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশ করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সুশাসন উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করে সরকারবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। দলের প্রবীণ নেতা এবং নারী সমাজকে অসম্মান অপদস্ত হরহামেশাই করে যাচ্ছে। এছাড়াও চেয়ারম্যান রহমানের ছোট ভাই শেখ কামাল আহাম্মেদ একজন সরকারি চাকুরিজীবি তার নিজ নামে খাদ্য কর্মসূচির (১০টাকা কেজি চাউল) ডিলারশিপ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বিষয়টি ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত জানিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন। চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করেছে তাদেরকে বিভিন্নভাবে চেয়ারম্যান ও   চেয়ারম্যানের ভাইয়েরা জীবননাশের হুমকি প্রদান করছে।  চেয়ারম্যানের সকল দুর্নীতি এবং তার ভাই কামাল আহমেদ এর ডিলারশিপের অনিয়মের তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা দাবি জানান সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন পাশে ভুক্তভোগীরা চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ৩৩ নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী রুমা খন্দকার মুন্নি, সাধারণ সম্পাদিকা অম্বিকা রানী মন্ডল, রাজিয়া বেগম, মনিরা বেগম, নাজমা আক্তার, রত্না বেগম, হোসনে আরা বেগম, তাহেরা বেগম সহ ভুক্তভোগীরা

জাতীয় এর আরও খবর: