১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছিলেন রাজনীতির হাল ধরতে। সেনাশাসনের কবল থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে।
বিদেশে অবস্থানকালে তিনি আওয়ামীলীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। দেশের মাটিতে পা রাখার দিন থেকেই শুরু হয় তাঁর নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামী জীবন। তিন দশকের অধিক সময় ধরে আজকের বাংরাদেশ তারই ফসল। তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, পিতা-মাতা ভাইবোন স্বাজন হত্যার বিচার, যুদ্ধ অপরাধীর বিচার করে তার পিতার দল আওয়ামী লীগকে জাগিয়ে তোলেন। এবং তলাবিহীন ঝুড়ির দেশেকে পুনরায় টেনে তুলেন।
দীর্ঘ পথচলায় আজকের ২০২০ সালের বাংলাদেশ শেখ হাসিনা একজন সফল রাষ্ট্র প্রধানই নন। একজন দক্ষ রাজনিতীর কৌশলী হয়ে নিজ দলের ক্ষমতা গ্রহন এবং পরপর তিন বার রাষ্ট্র ক্ষমাতয় থেকে দেশের পরিবর্তন করে হয়ে উঠেছেন একজন মানবতার ’মা’ বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত। স্বাজন হারানোর প্রতিশোধ নয় ঘাতকদের আইনের কাছে শোপার্দ করে বিচার করেছেন। তিনি বদলে যাওয়া ইতিহাস পুনঃউর্ধার করে উন্নয়নের গতিধারায় বাংলাদেশকে একজন সফল রাষ্ট্র নায়ক হয়েছেন।
২০২০ সালের ১৭ই মে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ঘরে বসেই আছি। সম্প্রতি বৈশ্বিক মহামরি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশে সামজিক দুরত্ব এবং সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় এবারে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে একা বসেই তার জন্য দীর্ঘায়ু কামনা করছি। এই বৈশ্বিক মাহামারিতে অনেক দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের ভেঙ্গে যাওয়ার পরও তার দৃঢ় মনোবল দৃঢ়তায় দেশ পরিচালনা করার ফল এখনও স্বাভাবিক পরিস্তিতে আছে আমাদের দেশ। তিনি ভবিষ্যতেও এই বিশ্ব সংকট মোকাবেলায়র কর্মপন্থা তেরী করে রেখেছেন। তাই বাংলাদেশর মানুষ ১৯৮১ সালের ১৭ই মে তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে কি পেয়েছে সেই হিাসব সকলের সামনে এখন পানির মতো পরিস্কার হয়ে গেছে। এই দেশের মানুষ বদলে দেওয়া এই রাষ্ট্র, শেখ হাসিনার অবদানকে চির দিনই স্মরেনে রাখবে।
লেথকঃ ইলিয়াস হক, দপ্তর সম্পাদক।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, গোপালগঞ্জ জেলা শাখা।
