ভাবড়াশুর ইউনিয়নের মা,মাটি ও মানুষের রক্তের সাথে মিশে গেছেন চেয়ারম্যান রিফাতুল আলম মূছা"- মোঃ হাবিব মিয়া !

 প্রকাশ: ২২ মে ২০২০, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন   |   জাতীয়


প্রতিবেদকঃ মোঃ রফিকুল ইসলামঃ 


চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের নেতা, গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্য বাহী ভাবড়াশুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার কৃতি সন্তান-"জনাব হাবিব মিয়া" বলেছেন যে:ভাবড়াশুর ইউনিয়নের মা,মাটি ও মানুষের রক্তের সাথে মিশে গেছেন ৭ নং ভাবড়াশুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান-"এস,এম, রিফাতুল আলম মূছা"...

কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন যে : সর্বশেষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৩ মার্চ । তখন আপামর জনসাধারণ নিঃসঙ্কোচে, নির্ভয়ে ও পরম আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিপুল ভোটে (বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে) বর্তমান চেয়ারম্যান এস,এম রিফাতুল আলম মূছাকে জয়যুক্ত করিয়েছেন । সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছেই

তিনি চরম জনপ্রিয় নিজে তরুন

বয়সী হওয়ায় বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ভাবড়াশুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেবের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী । 

চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে তার জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যায়।ভি,জি,এফ,ভিজিডি এবং অন্যান্য ত্রাণ গুলি নিজ হাতে বিতরণ করেন । বিশেষ করে যে জন্য তিনি যেখানে সবার চেয়ে ভিন্ন সেটা হলো- তার ইউনিয়ন পরিষদ এর দুর্নীতি "শূন্যের কোঠায়" । বাংলাদেশের আর কোন ইউনিয়ন পরিষদ এর দুর্নীতি "শূন্যের কোঠায়" আছে বলে আমার জানা নেই ।


এবার আসি মহামারী করনা নিয়ে অ্যামাজিং চেয়ারম্যানের কার্যক্রম কি ছিল  :


১!যখন বিশ্বব্যাপী করনা মহামারী কিন্তু আমাদের দেশে

তখনো শুরু হয়নি,তখন জনপ্রিয় তরুন চেয়ারম্যান সাহেব তার ইউনিয়নের জনসাধারণকে লিফলেট বিতরণ করে সচেতন করেছেন (চায়ের দোকান,ক্ষেতে,রাস্তা-ঘাটে, ইউনিয়ন পরিষদে যারা সেবা নিতে এসেছে তাদের)

২!যখন সরকার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে তখন নিজ উদ্যোগ ও খরচে ফ্রি মাস্ক বিতরণ করেন।

৩! যখন নিজ উপজেলা লক ডাউন হয়ে গেল তখন হঠাৎ বেকার হয়ে যাওয়া ভ্যান ওয়ালা, অটোরিকশাওয়ালা বা 

চা-দোকানিকে নিজ খরচে ত্রাণ বিতরণ করেছেন ।

৪! ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভাবড়াশুর ইউনিয়নের জনসাধারণকে লকডাউন মেনে

চলতে এবং সরকার নির্দেশিত

নিয়ম-কানুন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করেন ।

৫! মুকসুদপুর উপজেলায় একসাথে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার করনা পজিটিভ

ধরা পড়লে নিজ ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে ভাবড়াশুর ইউনিয়নকে লকডাউন ঘোষণা করেন ।


৬! সর্বশেষ যে কাজটি করেছেন সেটা অন্তত মুকসুদপুরের কোন চেয়ারম্যান তো বটেই সারা দেশের আর কোন চেয়ারম্যান নিজ উদ্যোগে এটা করেছে কিনা -সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে !!!


"কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ,

   শেখ হাসিনার বাংলাদেশ"..


- এই স্লোগানকে সামনে রেখে

নিজ উদ্যোগে ইউনিয়নের অসহায় কৃষকদের কয়েক বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছেন ।


আলোচিত বার্তার পক্ষ থেকে আমরা গিয়েছিলাম জনপ্রিয়

চেয়ারম্যান সাহেবের সাথে কথা বলতে । প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন :"জনগণ বিশ্বাস করে আমাকে এত বড় দায়িত্ব দিয়েছেন,এখন এটা যদি আমি পালন না করি তাহলে আমার রক্তের সাথে বেঈমানি করা হবে। আমি প্রতিনিয়তই নতুন করে শিখছি এবং সেগুলোকে কাজে লাগাতে চেষ্টা করছি,সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন প্লিজ" ।


এখানে উল্লেখ্য যে : নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে,

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ভাবড়াশুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান - ই

বাংলাদেশের "সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান"...


(২৩ মার্চ,২০১৫ তে বয়স=

২৫ বছর ৮ মাস ১১ দিন )

জাতীয় এর আরও খবর: