সাজিদ বড় হয়ে পুলিশ অফিসার হতে চায়।
প্রতিবেদক, মোঃ রফিকুল ইসলামঃ
ঐতিহ্য বাহী ঝুটিগ্রামের সাজিদুর রহমান সাজিদ এস,এস,সি-তে জি.পি.এ ৪.২৫ পেয়েছে ।
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী গ্রাম হলো ঝুটিগ্রাম।
গ্রাম বাংলার বহু প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা যে গ্রামে সর্বদাই বিরাজমান থাকে - সেই গ্রামের নাম হলো ঐতিহ্যবাহী ঝুটিগ্রাম !
শীতের সকালে শিশির ভেজা কান্নায় শুরু হয় দিন। বসন্তে কোকিল ডাকে, সবুজের সমারোহ,গোয়াল ভরা গরু আর পুকুর ভরা মাছ(🎏) ! এ আমাদের প্রাচীন বৈশিষ্ট্য ! এজন্যই আমাদের মাছে ভাতে বাঙালি বলা হয় ! পাখির কলকাকলিতে সকালে ঘুম ভাঙ্গে আর চোখ মিলিয়ে যায়
রাতের নিস্তব্ধতায় ! এই হলো ঝুটিগ্রামের চিরন্তন আবহ ।
আজন্ম ভদ্রলোক মানুষ-ঝুটিগ্রামের শিষ্টাচার বহন করে !
সেই গ্রামেই বেড়ে ওঠা এই চঞ্চল,মেধাবী ও নিপাট ভদ্রলোক কিশোর ছেলেটির !
চোখের চাহনিই বলে দেবে তার দৌড় অনেক দূরে !
বড়দের সম্মান প্রদর্শনের ধরণ দেখেই বোঝা যাবে সে সভ্য পৃথিবীর মানুষ । শিশুরা সভ্যতা
, শিষ্টাচার শিখে পরিবার থেকে। পারিবারিক ভাবে সাজিদের বাবা পুলিশ অফিসার-জনাব রুহুল আমিন মুন্সী ছিলেন ঝুটিগ্রামের প্রথম, সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্য বাহী মুন্সী গোষ্ঠীর কৃতি সন্তান !
৪ ভাই বোনের মধ্যে সকলের ছোট সন্তান সাজিদকে নিয়ে
পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রের অনেক আশা ।
ঝুটিগ্রাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ভালো ফলাফল করা সাজিদের চোখ সামনের দিকে : "আমি জীবনের প্রথম সিঁড়িতে পদার্পণ করেছি,ছয় বছর বয়সে হারানো পিতাকে আজ বারেবার মনে পড়ছে,তাকে আমার স্বশ্রদ্ধ সালাম রইলো । পাশাপাশি যার জন্য আজ পর্যন্ত (৬-বর্তমান) বাবার অভাবটা বুঝতে পারিনি-সেই বড় ভাই জুয়েল হাসান সাগরকে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ! ভবিষ্যতে পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কাজ করতে চাই-সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন"!
শৈশব থেকেই দূরন্তপনায় অভ্যস্ত সাজিদের ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিলো দরিদ্র মানুষের জন্য কিছু একটা করার জন্য ।সেই আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলাফল হিসেবে যোগ দিয়েছেন দক্ষিণ মুকসুদপুরের একমাত্র স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন-"স্বপ্নসারথি ফাউন্ডেশনে " !!!
এই উচ্ছলতায় মত্ত,সাহসী ও দৃঢ় প্রত্যয়ী কিশোরের লালিত স্বপ্ন পূরণ হোক দিগন্তের পথে !
সেই শুভকামনা আজীবনের...
