যশোরে মনিরামপুর কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ ধর্ষক যুবক গ্রেফতার জেল হাজতে প্রেরণ।
আব্দুল জব্বার, যশোর জেলা ব্যুরো প্রধানঃ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার দশআনি গ্রামে এক কিশোরী কন্যাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই ধর্ষকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
সরেজমিনে জানা যায় মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের দশআনি গ্রামের মুজিবর রহমানের ছেলে জাহিদহাসান (১৫) একই গ্রামের নানির বাড়িতে থাকা আখি খাতুন (১৩) কে সন্ধার দিকে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একপর্যায়ে ঈদের আগে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, জনতে পারে এবং ধষণের শিকার মেয়েটির বাড়িতে যেয়ে তার খোঁজ খবর নেয়। এসময়ে মেয়ের নানী রোকেয়া বেগম আতিয়ার রহমানের নিকট তার নাতনী আখির শারীরিক অবস্থা ভালো না জানায়। ও আখির চিকিৎসা করানোর জন্য ডাক্তার দেখানো দরকার বলে আতিয়ার রহমান কে জানান। মেয়েটির চিকিৎসার কথা ভেবে আতিয়ার রহমানের কাছে থাকা এক হাজার টাকা আখির নানির কছে দিয়ে, আখিকে ডাক্তার দেখানোর জন্য বলে ও আখিকে সুস্থ করে তুলতে বলেন।
এবিষয়ে কথা হয় ধষণের শিকার কন্যার নানী রোকেয়া সাথে, তিনি প্রতিনিধিকে জানান আমি বুড়ো মানুষ চলতি কষ্ট হয় তার জন্যি আমার নাতনিকে আমার কাছে রাখি। তিনি আরো বলেন ঘটনার দিন আমার নাতনি বাড়ির পাশে সন্ধ্যার সময়, খেলা করছিল তখন জাহিদ আমার নাতনি আখির ভাঙ্গা ঘরের মধ্যে নিয়ে ধষণ করে। আর এই খবর জানতি পায়ে আতিয়ার আমাদের বাড়িতে আসে আমার নাতনি আখির ঔষধ কিনার জন্যে, এক হাজার টাকা দিয়ে বলে চাচি আগে আখির ঔষধ খায়ে ভালো করেন। তারপর যা মনে চাই তাই করবেন। আতিয়ারের কথামতো ও টাকা নিয়ে নাতনিকে ডাক্তার বাড়ি নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন আতিয়ার আমাগের কোন খারাপ চাইনি বরং আমাদের উপকার করেছে, পকেটের টাকা দিয়ে তিনি নাতনির ধর্ষণের সুষ্ঠু বিচারদাবি করেন।
কথা হয় ছেলের মায়ের সাথে, তিনি বলেন ঐ মেয়েটিকে আমার ছেলে ধষণ করেছে শুনি আমার চাচা শশুর আবুল হোসেনের কাছে এবং মেয়েটির শারীরিক অবস্থা ভালো না জানালে ও মেয়েটির চিকিৎসার জন্য বললে, আমি আমার শশুর কে পাচ হাজার টাকা দিয়ে বলেছি মেয়েটার চিকিৎসা শেষে আমর ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ঘরের বৌ করে নিতে আমার কোন আপত্তি নেই। এরপরে আমার শশুর আবুল হোসেন ও তার ছেলে গোলাম রসুল দুইদিন পরে টাকা ফেরত দিয়ে বলেন, আমরা টাকা দিতে গেলে মেয়ের নানা ইমান আলী চিকিৎসার টাকা ফেরত দিয়েছে। এজন্য আমরা টাকা নিয়ে চলে এসেছি এবং আমাদের টাকা আমাদের ফেরত দিয়েছে। তিনি আরো বলেন আমার ছেলে যদি সত্যিকারে অন্যায় করে থাকে, তাহলে আমি মেয়েটিকে ছেলের বৌ হিসাবে গ্রহণ করবো।
