ভয়ঙ্কর করনা নিয়ে জনসচেতনতাই যার কাজ,সে-ই আজ করনায় আক্রান্ত।
প্রতিবেদক - মোঃ রফিকুল ইসলাম :
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার অদূরবর্তী নদের(কুমার নদের উপ-শাখা)
পাড় ঘেঁষে যে ছোট্ট গ্রামের
বসবাস তার নাম ঠোলনার পাড়া ..
এই গ্রামে আনুমানিক ৮০০-১০০০ লোকের বসবাস !!
যেটা ঐতিহ্য বাহী বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন অধ্যূষিত ছবির মতো ছোট্ট একটি গ্রাম ।
যে গ্রামে বাস করতেন দক্ষিণ মুকসুদপুরের অন্যতম ভদ্রলোক মানুষ,প্রবীণ রাজনীতিবিদ (সহ-সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগ),সমাজ সেবক ও মানব কল্যানকর কাজে ব্রত হয়ে
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা আজন্ম
সাদা মনের ভালো মানুষ - "জনাব কে.এম ইদ্রিস আহমেদ".
সেই গ্রামেই দক্ষিণ মুকসুদপুরের মধ্যে সর্বপ্রথম করনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মিললো !
দক্ষিণ মুকসুদপুরের প্রথম করনা আক্রান্ত রোগীর নাম -" জনাব সাঈদ আহমেদ "।
যিনি বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।কেউ লকডাউনকৃত কোন স্থান থেকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রবেশ করলে,তাকে
যাবতীয় নির্দেশনা প্রদান করা,নমুনা সংগ্রহ করা, জনসচেতনতা সৃষ্টি করাসহ সরকার নির্দেশিত বিভিন্ন দায়িত্ব সুন্দর ভাবে পালন করেছেন এতোদিন কিন্তু বিধাতার কি আজব লীলা...!!!
আগেই নমুনা পাঠানো ছিলো,আজ ৫ জুন ঢাকা থেকে যে রিপোর্ট এসেছে সেটাতে সাঈদ আহমেদের করনা পজিটিভ এসেছে।
আজ বিকেল থেকে সে মুকসুদপুর পুলিশের হেফাজতে
আইসোলোশন সেন্টারের
চার দেয়ালে বন্দী অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে ।
এ নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা - ৬৭ জন,
সুস্থ্য - ২৬ জন তবে, একটু হলেও স্বস্তির খবর এই যে, এখানে এখন পর্যন্ত করনায় মৃত্যুর কোন ঘটনা ঘটেনি !!!
আলহামদুলিল্লাহ...
নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন কারী
সাঈদ ভাইয়ের সুস্থ্যতা কামনা করছি - আমিন !
