বেনাপোলে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে দুই যুবক হাসপাতালে, থানায় মামলা

 প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২০, ০৮:০০ অপরাহ্ন   |   জাতীয়


মনা বেনাপোল(যশোর)ঃ

প্রতিনিধি: বেনাপোলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামী ইমরান গাংদের ছুরিকাঘাতে আশংকাজনক অবস্থায় বাদী মোঃ শান্ত শেখ(২৫) পিতাঃ মোঃ আদাত শেখ গ্রাম গাজিপুর এবং মোঃ রিপন(২ ৯) পিতা মোঃ  আব্দুল্লা গ্রাম গাজিপুর নামের দুই যুবক শার্শা সাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।


বেনাপোল পোর্ট থানা সূত্রে জানা গেছে

শুক্রবার (৫ ই জুন) দুপুরের দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সম্মুখে রাস্তায় দুজন মহিলার সাথে ঝগড়া বাদে। এরা হলো মামলার ১ নং আসামী ইমরান হোসেন (২৪) এর বোন বৃষ্টি (২২) নুন্না(৩৩) নামের এক মহিলা ঘটনার দিন ঐ দুই মহিলা কথা কাটা কাটি শুরু করলে ঐ সময় বৃষ্টির ভাই আসামী ইমরান নুন্না নামের ঐ মহিলার উপর চড়াও হয়, এবং ঐ মহিলাকে মারধর করতে থাকে এর প্রতিবাদে মামলার বাদী মোঃ শান্ত শেখ এবং মোঃ রিপন সেখানে ছুটে গেলে ১ নং আসামী ইমরান ২ নং আসামী রাব্বি হোসেন ( ৩০) এবং আরও৬ থেকে ৭ জন আসামী তাদের কাছে থাকা বিদেশী ছুরি দিয়ে  বাদীপক্ষ মোঃ শান্ত

শেখ মোঃ রিপনকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে। এতে করে শান্ত শেখ রিপনকে আশংকা  অবস্থায় শার্শা থানা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদিকে এ ঘটনায় ঐদিন আহত শান্ত শেখের বোন মোছাঃ শাহানা বেগম (৩৩) বাদী হয়ে আসামী ইমরান, রাব্বি,এবং বাকী ৭ জন সহ মোট ৯ জনের  বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। থানায় মামলা রুজু হওয়ায় বেনাপোল পোর্ট থানার এস আই রোকনুজ্জামান ঐদিন রাতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আসামীদের ধরতে বেনাপোল পোর্টথানাধীন ভবারবেড় গ্রামে তল্লাশী অভিযানে নামে।


মামলায় উল্লেখিত ১ নং আসামী ইমরান এবং ২ নংআসামী রাব্বি হোসেন কে ধরতে সক্ষম হয় পুলিশ। বাকী আর ৭ জন আসামী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।১ নং আসামী ইমরান ও ২ নং আসামী রাব্বিকে যশোর আদালতের  মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হয়।

 

বাকী আসামীদের কে গ্রেফতারের করার জন্য পুলিশের  প্রক্রিয়া অব্যহত রয়েছে। 


উল্লেখ্য  ১ নং আসামী  রমজান মাসে ২২/o৫/২০ ইং তারিখে বিকাল ৫:৩০ মিনিটে বেনাপোল লাল মিয়া সুপার মার্কেটে দোকানে ভিতরে ডুকে 

একই থানার দুর্গাপুর এলাকায় মোঃ রেজাউল সরদার ছেলে  মিরাজ হোসেন নামের একজন কে ছুরিকাঘাত করে। পরে মিরাজের বাবা ২৪/০৫/২০ ইং তারিখে রাত্রে ১১ টার সময় বেনাপোল পোর্ট থানায় ইমরান শহ আরো ২জনের নামে  অভিযোগ দায় করেন ৷

ইমরানের পিতা পাগলা আয়ুব ভবার বেড় গ্রামের একজন শীর্ষ মাদক ব্যাবসায়ী। এই ইমরান গাং এর সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ভবার বেড় গ্রাম কুক্ষিগত করে রেখেছে। বস্তিতে বসবাসকারী ইমরান গংদের অত্যাচারে গ্রামবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। 


আসামীরা গ্রেফতার হওয়াতে গ্রামবাসীরা যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের  প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন ভবারবেড় গ্রাম বাসী।


বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মামুন খান গ্রেফতার দুই আসামীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জাতীয় এর আরও খবর: