সিলেটের বিয়ানীবাজারে ড্রামের ভেতর শিশুর লাশ,আটক ২
এম আব্দুল করিম সিলেট জেলা প্রতিনিধিঃ
মহামারী ভাইরাসের সময়ও থেমে নেই পাশবিকতা। এরা কেমন নরপশু! মানুষ নামের কলংক এ লোকগুলো। একটি নিষ্পাপ ফেরেস্তা সমতুল্য শিশুকে কোন পাষাণ হৃদয় এভাবে মারতে পারে?দেশের মানুষের এই ক্রান্তিলগ্নে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় ড্রামের ভেতর থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। গতি ৭ জুন (রবিবার)সন্ধ্যায় উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা গ্রামে ঘটে এ হৃদয় বিদারক ঘটনা।প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের ধারণা, পারিবারিক কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়েছে।
জানা যায় যে, তিন (৩) বছরের শিশু, নিহত আরিফ হোসেন উত্তর আকাখাজানা গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে। আটককৃতরা হলো খছরু মিয়ার সহোদর রুনু মিয়ার স্ত্রী সুরমা বেগম (৩৫) এবং চারখাই'র মধুরচক এলাকার কামাল উদ্দিনের ছেলে নাহিদ আহমদ ওরফে ইব্রাহিম(২৭)।
উল্লেখ্য যে, ৭ জুন (রোববার) সকাল থেকে নিহত শিশু আরিফের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার খোঁজে মসজিদে মাইকিং করা হয় এবং প্রতিবেশীসহ আত্নীয় স্বজনের বাড়িতেও খোঁজ নিচ্ছিলেন তার পরিবার। কিন্তু সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখোঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্র জানায়, আরিফের আপন চাচী সুরমা বেগমের আচরণ সকলের কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্চিল এবং একপর্যায়ে সন্দেহের তীর ঘনীভূত হলে সুরমা বেগমের ঘর তল্লাসী করে আরিফের মরদেহ বাথরুমে ড্রামের ভেতর পাওয়া যায়।
লাশ উদ্ধারের পর, স্থানীয় জনগণ সুরমা বেগমকে আটক করে রাখেন।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বিয়ানীবাজার থানার ওসি শ্রী অবনী শংকর কর এ প্রতিবেদকের কাছে জানান যে,শিশু হত্যার এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর লাশ উদ্ধার করে। মৃতদেহের মাথা ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি- পারিবারিক কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সুরমা বেগম ও ইব্রাহিম নামের এক যুবককে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে।
