কাশিয়ানীতে মুক্তিযোদ্ধাকে মামলা দিয়ে হয়রানি।
গোপালগঞ্জ স্টাফ রিপোর্টারঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের শিবগাতী জোনাসুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক চৌধুরীকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফৌজদারি ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলায় জড়িয়েছেন পাশের বাড়ির বিধবা রেনু বেগম।
জানা যায়, আব্দুল মালেকের পূর্বপুরুষের ৬টি দাগের ৫৩ শতাংশ জমি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় ১৯৮১ সালে আব্দুল মালেক চৌধুরী সরকার থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। ১৯৮৫ সালে পূর্বপুরুষের ওয়ারিশরা বসবাসকারী আব্দুল মালেককে না জানিয়ে নোটিশ ছাড়াই তাদের নামে জমি রেকর্ড করে নেন এবং গোপনে ১৯৯২ সালে রেনু বেগমের স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন ফকির জনৈক ব্যক্তিকে মালিক সাজিয়ে জমি কিনে নেন। পরবর্তীতে রেনু বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি দখলের পাঁয়তারা করলে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক কোর্টে মামলা করেন এবং মামলার রায় মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে যায়। সেসঙ্গে আব্দুল মালেক কোর্টে রেকর্ড সংশোধনের মামলা দেন যা এখনও বিচারাধীন।
গত বছরের ২০ নভেম্বর রেনু বেগম মুক্তিযোদ্ধা ও তার ভাইয়ের ছেলের নামে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে চাচাকে বাদ রেখে ভাতিজা মটর চৌধুরীর নামে আবার এ বছরের ৫ জানুয়ারি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক চৌধুরী বলেন, 'আমার ন্যায্য জমিতে আমি বসবাস করছি। রেনু বেগম অহেতুক বিভিন্নভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা করে আমাকে সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে। আমি এর বিচার প্রার্থনা করছি।' তবে রেনু বেগম বলেন, মালেক মিয়া তার দলবল নিয়ে প্রায় তাকে হুমকি-ধমকি দেয় এবং তার বাড়িতে ডাকাতি করেছে, তাকে নির্যাতন করেছে। তাই তিনি কোর্টে মামলা করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'আমরা একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করেছি। ওই নারীর সঙ্গে পেড়ে উঠছি না।'
