যশোরের মনিরামপুর ঝাঁপা ইউপি চেয়ারম্যানের নামে ফেকআইডিতে কুরুচিপূর্ন বক্তব্য ক্ষোভ প্রকাশ।
আব্দুল জব্বার, যশোর জেলা ব্যুরো প্রধানঃ
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ৯নং ঝাঁপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের নামে, ফেক আইডিতে কুরুচি পূ্র্ন বক্তব্য প্রকাশ করাই জনমনে চরম ক্ষোভের জন্ম নিয়েছে। সোমবার সকালে ঘটনাস্থলের লোকজন পরিষদে এসে মিথ্যা ভূয়া বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফেক আইডির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যানের প্রতি আহব্বান জানান। এদিকে যাদের নাম উল্লেখ করে ঘটনাটি লেখা হয়েছে তারাও একই সময় পরিষদে এসে জন সম্মুখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
এ সময় চেয়ারম্যান তাদেরকে শান্তনা দেন এবং বলেন, আমি শুধু একা অপমানিত হয়নি ইউনিয়ন বাসী অপমানিত হয়েছে।
ফেসবুক সুত্রে জানা যায়, ঝাঁপা ইউনিয়ন সমাচার নামের এক ফেকআইডিতে মনিরামপুর উপজেলার ৯নং ঝাঁপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু, ৫ই জুলাই সন্ধার পর দোদাড়িয়া গ্রামের এক নারীর হাত ধরে কুপ্রস্তাব দিলে জনরোষে পড়ে, প্রাইভেটে চড়ে পালিয়ে যায় চেয়ারম্যান। শুধু এই নয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আরো কুরুচিপূর্ণ বিভিন্ন কথা ঐ ফেক আইডিতে প্রকাশ করেছে। এ সকল বিষয়ে সোমবার দুপুরে সরেজমিনে সাক্ষাত কালে সংবাদে প্রকাশিত জিন্নাতের স্ত্রী পপি খাতুন জানান, চেয়ারম্যান আমাদের বাড়ির গেটে এসে ডাকাডাকি করে। এ সময় আমার স্বামী গেট খুলে বাইরে গেলে দাউদের বাড়ি যাওয়া রাস্তা প্রশস্ত করে দেওয়ার কথা বলে প্রাইভেট কারে উঠে চলে যায়।
এ ছাড়া চেয়ারম্যানের সাথে কারোর কোন কথা হয়নি। তিনি আরো জানান, পরের দিন সকালে ঘটনাটি শুনার পর আমি নিজে পরিষদে যেয়ে জনসম্মুখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি। এবং মিথ্যা অপবাদ কারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চেয়ারম্যানকে বলি। আমিও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো বলে জানাই। পপির স্বামী জিন্নাত জানায়, আমি আমার বাড়ির পিছনে আমার জমির উপর দিয়ে সাদেকের বাড়ি যাওয়ার একটা রাস্তা দিয়েছি। এই রাস্তাটি প্রশস্থ করার জন্য চেয়ারম্যান আমার সাথে কথা বলতে এসেছিল।
কথা হয় সাদেকের স্ত্রী রিনার সাথে, তিনি জানান, সরু রাস্তা দিয়ে বাড়িতে মালামাল আনার অসুবিধা হওয়ায় আমি রাস্তাটি বড় করার জন্য চেয়ারম্যানের কাছে যায়। রবিবার সন্ধায় চেয়ারম্যান আসে। এবং রাস্তার বিষয়ে জিন্নাতের সাথে কথা বলে গাড়িতে চলে যায়। এ সময় আমিও চেয়ারম্যানের পাশে ছিলাম। কারন তিনি আমার প্রয়োজন মেটানোর জন্য এসেছিল।
তিনি আরো জানান, চেয়ারম্যানের নামে যে সব লিখেছে এ ধরনের কোন ঘটনায় ঘটেনি। কথা হয়, জিন্নাতের বা্ড়ির সামনের বাড়ির মালিক আনছার আলীর স্ত্রী রুব্বান এর সাথে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান গেটের সামনে দাড়িয়ে জিন্নাতের সাথে রাস্তার বিষয় নিয়ে কথা বলে চলে গেছে। এখানে অন্য কোন কিছুই ঘটেনি। কোন হইচই কিংবা দৌড়দৌড়ি হয়নি। কথা হয় আক্কাজের স্ত্রী শাকিলা ও তার ছেলে মাসুদের সাথে তারা জানাই, আমরা চাকরীর জন্য চেয়ারম্যানের কাছে টাকা দিয়েছিলাম সত্য। এই টাকার জন্য রবিবার সন্ধার পর আমরা হুহুল্লা করে চেয়ারম্যানকে ধরতে গিয়েছিলাম কথাটা সম্পুর্ন মিথ্যা।
এদিকে কথা হয় দোদাড়িয়া মোড়ের দোকানদার বিল্লাল, আরিফুল, আজারুলের সাথে, তারা বলেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যা লেখা হয়েছে এ ধরনের কোন ঘটনায় ঘটেনি। কথা হয় চেয়ারম্যানের সাথে, তিনি বলেন, যারা ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা অপবাদ লিখে আমারসহ ইউনিয়ন বাসীর মান ক্ষুন্ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমি অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
