রাজশাহীর পবায় মিথ্যা অভিযোগের ফাঁদে ইউপি চেয়ারম্যান রাজ।
লিয়াকত হোসেন রাজশাহীঃ
রাজশাহীতে গত (৭ই জুলাই) মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে এক গৃহবধূ নগরীর কর্ণহার থানায় একটি ধর্ষণের অভিযোগ করে।
এবং গৃহবধূর অভিযোগ করে বলেন তাকে ১৪ বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছে এই রাজ চেয়ারম্যান।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাসান রাজ বাদী হয়ে গতকাল আরএমপির কর্ণহার থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নম্বর হল: ২১১।
জিডিতে চেয়ারম্যান কামরুল হাসান রাজ উল্লেখ করে যে, আমি ১নং দর্শনপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং দর্শনপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি। আমি সকাল অনুমান ৯টার সময় আমার ইউনিয়ন পরিষদের অফিসে যায় এবং যাওয়ার পর অফিসের গ্রামপুলিশ লালচানকে অফিস খোলার জন্য বলি এবং সে অফিস খুলে দিলে আমি অফিসে বসি। অফিস হতে অনুমান ১০টার সময় ইউ.ডি.সি. কক্ষে যাওয়ার পথে গেটের সামনে হঠাৎ করে অপরিচিত একজন মহিলা বাচ্চা সহ আসে এবং আমাকে বলে যে, আমাকে কোন খরচপত্র দিস না কেন, আমার কোন খোঁজখবর নিস না কেন। আমি তাকে বলি কে আপনি, কোথা থেকে এসেছেন, কি বলছেন আবোল-তাবোল। তখন সে আমায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমি ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গ্রাম পুলিশের হেফাজতে তাকে আটক করি এবং আমার অফিসে এসে কর্ণহার থানায় ফোন দেই। কর্ণহার থানার পুলিশ আমার অফিসে আসে এবং ওই মহিলাকে থানায় নিয়ে যায়।
জিডিতে তিনি আরো উল্লেখ করে, মেয়েটিকে আটক রাখার পর সে চিল্লাচিল্লি শুরু করে এবং সে বলে তাকে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। তা না হলে সে আমার বিরুদ্ধে মামলা করবে। তার চিল্লাচিল্লিতে বেশ কয়েকজন মানুষও সেখানে উপস্থিত হয়।
এ বিষয়ে ১নং দর্শনপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাসান রাজের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ওই মহিলাকে কোনদিন দেখিনি এবং চিনিনা। আমার বিরুদ্ধে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে লেলিয়ে দিয়েছে। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানাতে চাই, আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আমি যদি দোষী হই তাহলে অবশ্যই আমি আমার দোষ মাথা পেতে নেব। আসলে তিল তিল করে আমি যে সুনাম অর্জন করেছি। সেই সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য কে বা কারা এই মহিলার মাধ্যমে এ চক্রান্ত করছে আমার বোধগম্য নয়।
