নববধূ হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করল রায়পুর থানার পুলিশ।
জিহাদ হোসাইন, রায়পুরে, (লক্ষীপুর) প্রতিনিধিঃ
লক্ষীপুরের রায়পুরে চরোমোহনা ইউনিয়নের মো: আলী হায়দারের ছেলে মো: রাশেদ(২৪) এর সাথে চরবংশী ইউনিয়নের খোকন ছৈয়ালের মেয়ে সীমা আক্তার(১৯) সুমির পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের কয়েক ২ মাস পর স্ত্রী সুমি বাপের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার জন্যে বায়না ধরে।কিন্তু স্বামী রাশেদের হাতে টাকা না থাকায় নববধূকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ীতে যেতে রাজি হয়নি।এনিয়ে স্বামী -স্ত্রীর মাজে তর্কবিতর্ক হয়।একপর্যায়ে রাশেদ উত্তেজিত হয়ে সুমিকে গলাটিপে হত্যা করে। স্বামী রাশেদ এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবি করেন।কিন্তু সুমির মাতা সালেহা বেগম রহস্যজনক মৃত্যু বলে বাদী হয়ে রায়পুর থানায় মামলা দায়ের করেন।পরে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে ময়ন তদন্ত পারিবারিকভাবে লাশ দাফন করা হয়।বৃহস্পতিবার(১৬ জুলাই) রায়পুর থানার পুলিশের কাছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসে।পরদিন শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঘাতক রাশেদকে রায়পুর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেন।
রায়পুর থানার (ওসি) অফিসার ইনচার্জ, আব্দুল জলিলের বিচক্ষণতায়, আসামী রাশেদ হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরে আদালতে রাশেদকে প্রেরন করা হলে, বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারা মামলার জবানবন্দীতে স্ত্রী সুমিকে গলাটিপে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। বিচারক আসামী রাশেদকে জেলা কারাগার প্রেরন করেন।
