চলে গেলেন শিমুল শুরের গুনী ব্যক্তি দিলীপ কুমার ভদ্র।
প্রতিবেদক - মোঃ রফিকুল ইসলাম ঃ
আগস্ট বাঙালি জাতির শোকের মাস। কারণ,এই মাসেই মৃত্যু বরন করেছেন(নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ
বাঙালি জাতির জনক - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
গত ১২ আগস্ট, ২০২০ বুধবারে আরেকটি শোকাহত দিন কাটলো গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের শিমুল শুর গ্রামের! এই দিনেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে নিলো অনেক গুনে গুণান্বিত ব্যক্তি দিলীপ কুমার ভদ্র । শিক্ষাগত জীবনে এস,এস,সি কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এইস,এস,সি ও ডিগ্রি রামদিয়া কলেজ থেকে !
এরপর গোপালগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন অফিসে কর্মজীবন শুরু করে আমৃত্যু পর্যন্ত ওখানেই একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেছিলেন !!!
বৈবাহিক জীবনে সুখী জীবন যাপন করে আসছিলেন দুইটি পুত্র সন্তানের জনক এই গুনী মানুষটি । চাকরির পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম করে মানুষের আস্থা,বিশ্বাস ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন
গুনী এই মানুষটি । এই গুনী মানুষের ভাই স্কুল টিচার কৃষ্ণ ভদ্র বলেছেন ঃ আমার বড় ভাই ছিলেন আমাদের আত্মীয় স্বজন,পরিবার ও সমাজের একজন গ্রহণ যোগ্য সীদ্ধান্ত গ্রহণ কারী! তার সীদ্ধান্ত সবসময়ই আমাদের জন্য সুফল বয়ে এনেছে, আমরা এই ভালো মানুষটির স্বর্গযাত্রা সুখময় হোক - সেই মঙ্গল কামনা করছি!
কৃষ্ণ ভদ্রের ছোট বেলার বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজন, বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের যুব সমাজের হৃদয় আসনের যুবরাজ,বিপদে সবসময়ই যিনি অসহায়ের পাশে থাকেন সেই বদরুজ্জামান এজাজ বলেছেন ঃ কৃষ্ণ আমার বাল্যকালের বন্ধু, ওকে সবসময়ই নিজের ভাইয়ের চোখে দেখে আসতেছি। তার বড় ভাই আমার নিজের ভাই । বড় ভাইয়ের মতো একজন গুনী মানুষের অভাব কখনো পূরণ হবার নয়! মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি ঃ বড় ভাইয়ের স্বর্গযাত্রার পথগুলো মসৃন হোক!
এখানে উল্লেখ্য যে ঃ এই করোনা ও বন্যার বাধা উপেক্ষা করেও জনপ্রিয় নেতা জনাব বদরুজ্জামান এজাজ ঢাকাতে থাকার কারণে তার নির্দেশে সহধর্মিণী মুক্তা জামানের নেতৃত্বে বাঁশবাড়িয়া থেকে ট্রলার যোগে প্রায় ৫০ জনের একটি টিম গিয়েছিল মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে"!!!
