সাংবাদিক সুলতানকে অপহরণ-হত্যার হুমকীর অভিযোগ : থানায় মামলা
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংবাদকর্মী সুলতান মাহমুদকে অপহরণ ও হত্যার হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।পূর্ববিরোধের জেরে একটি চক্র বিভিন্ন সময়ে মোবাইল ফোনে তাকে অপহরণ,হত্যা ও লাশ গুমের হুমকী দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এ ঘটনায় নিজের জীবন ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে সলঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করেছে পুলিশ।যার সলঙ্গা থানার মামলা নং-৩৮৬,তারিখ-৮/৯/২০২৬।
মামলা সূত্রে জানা যায়,সলঙ্গা থানার ধুবিল ইউনিয়নের চুনিয়াখাড়া গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে সুলতান মাহমুদ (৩৩) পেশায় সংবাদকর্মী এবং সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।একই ইউনিয়নের চৌধুরী ঘুঘাট গ্রামের পলান শেখের ছেলে নাসির উদ্দিন (৩৫)-এর সঙ্গে পূর্ব থেকেই তার বিরোধ চলে আসছিল।
অভিযোগে জানা যায়,পূর্ববিরোধের জেরে নাসির ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে সুলতান মাহমুদকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ অপহরণ ও হত্যার হুমকী দিয়ে আসছিলেন।একপর্যায়ে সলঙ্গা বাজার মাদ্রাসা মোড়ে অবস্থানকালে নাসির ও তার সহযোগী লাবিব (২৫) তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় সুলতান মাহমুদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি তাদের কবল থেকে উদ্ধার পান।
অভিযোগ দায়েরের পর নাসির ও তার সহযোগীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকী-ধামকী দিতে থাকেন।এমনকি তাকে যেখানে পাওয়া যাবে,সেখানেই হত্যা করবে বলে প্রকাশ্যে বলে বেড়ায়।
দুষ্কৃতিকারীদের অব্যাহত হুমকীতে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন সাংবাদিক সুলতান মাহমুদ। বিষয়টি প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে অবগত করতে এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি সলঙ্গা ধানহাটা থেকে সরাসরি ফেসবুক লাইভে বক্তব্য দেন।
বিষয়টি রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলামের নজরে আসে।পরে তিনি যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেন বলে জানা গেছে।
মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হলে গতকাল বুধবার সিরাজগঞ্জের আমলি সলঙ্গা আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সলঙ্গা থানাকে নির্দেশ দেন।এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
