চৌগাছার তরুন সমাজ সেবক জসিম উদ্দীন এর পিপিই পরে উদ্ভাবক মিজানুর রহমান আজ সারাদিন শার্শায় রাস্তার ভিক্ষুক ও কুকুরকে খাবার বিতারণ করেন

 প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২০, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন   |   খুলনা


মনা বেনাপোল (যশোর)প্রতিনিধিঃ

যশোরের শার্শা উপজেলার মটর মেকানিক তরুন সমাজ সেবক দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমানকে, পিপিই ও মাস্ক পরিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যশোরের চৌগাছা উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুন সমাজ সেবক জসিম উদ্দিন। সেবক সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী ও সংগঠক মিজানের সেবা মুলক কর্মকে বেগবান করার লক্ষে তাকে এ উপহার দেয়া হয়। মহামারি করোনা ভাইরাসের নিরাপত্তার গুরুত্ব বুঝে তরুণ সমাজ সেবক জনাব জসিম উদ্দিন চৌগাছার কৃতিসন্তান দেশসেরা উদ্ভাবককে নিজের কাছে চৌগাছাতে তার নিজস্ব অফিস কক্ষে এই পিপিই ও মাস্ক তুলে দেন।


করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তরুন সমাজ সেবক জসীম উদ্দীন। মানুষকে দিচ্ছেন করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার সেফটি। ঠিক সে সময় দেশসেরা “উদ্ভাবক মিজান”কে নজরে আনেন তিনি।অসহায় মানুষ আর পশুপাখির মাঝে নিজের হাতে রান্না করা খাবার বিতরণের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মিজানের শারীরিক নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি নিজ হাতে দেশ সেরা উদ্ভাবককে পিপিই ও মাস্ক পরিয়ে দেন।


এসময় উদ্ভাবক মিজান বলেন, তরুন সমাজ সেবক জসিম উদ্দিনের বিষয়ে কিছু বলে শেষ করা যাবে না। শুধু একটা কথাই বলবো, চোখ থাকলেই সব দেখা যায় না, দেখার মতো দেখতে হলে চোখ লাগে। জসিম উদ্দিন এমন এক ব্যক্তি যিনি মহামারী করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিকালে নিজস্ব অর্থায়নে মানুষের মাঝে সেবা দিয়ে চলেছেন যা মাববতার এক উদাহরণ হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।


এসময় মিজান আরো বলেন, দেশে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ দাপটে মানুষের জনজীবনের পাশাপাশি সমস্ত প্রাণিকুলে নিদারুন শোচনীয় অবস্থা হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বেশি কষ্টে আছে রাস্তার ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধি, ভবঘুরে পাগল এবং বেওয়ারিশ কুকুর ও পশুপ্রাণিগুলো।


উপজেলা ব্যাপী এই সকল প্রাণির মুখে প্রতিদিন এক বেলা খাবার তুলে দিচ্ছেন উদ্ভাবক মিজান। তারই ধারাবাহিকতায় যশোরের চৌগাছায় নিজের রান্না করা খাবার বিতরণ করেন তিনি।করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ অবস্থা যতদিন দেশে থাকবে ততদিন তার এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান দেশসেরা এই উদ্ভাবক মিজান। সেই সাথে দেশনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে দেশবাসীকে ঘরে থাকতে অনুরোধ করেন তিনি।


এদিকে ২৬ এপ্রিল ( রবিবার) বিকাল ৪ টার সময়, শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজার, সাতমাইল বাজার, জামতলা বাজার, উলাশী বাজার, ও নাভারণ সাতক্ষীরার মোড়, পথে থাকা ভবঘুরা ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধি ও ভবঘুরে পাগল মানুষদের মাঝে ৫০ প্যাকেট খাবার বিতরণ করেন উক্ত “উদ্ভাবক মিজান”। এসময় পশু পাখিদের মাঝেও খাবার দেওয়া হয়।


উক্ত বাগআঁচড়া এলাকায় মিজানের রান্না করা খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, অত্র এলাকার সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ , ও উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট বাউল শিল্পী জনাব আলী হোসেন।

খুলনা এর আরও খবর: