ঝিনাইদহে ডিবি পুলিশের হাতে প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার।
খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। ( ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি)
ঝিনাইদহে পুলিশে চাকুরী দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের তিন জনকে টাকাসহ গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ৬লাখ ৩৩ হাজার টাকা। গ্রেফতার করা ব্যাক্তিরা হলো শৈলকুপা ডি এম কলেজের প্রভাষক কুলচারা গ্রামের সাব্দার হোসেন বিশ্বাসের ছেলে আমিরুল ইসলাম, সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ ওরফে বিষু মন্ডলের ছেলে মাহাবুর রহমান ও কোলা গ্রামের দলিল উদ্দিনের ছেলে কলার ব্যাপারী মুক্তার আলী। ২৪ জুলাই বুধবার বিকালে নিজ নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয় তাদের। রাত ৮টার দিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস, তারেক আল মেহেদী, সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোঃ আনোয়ার হোসেন। পুলিশ সুপার জানান, গ্রেফতার করা ব্যাক্তিরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার শালিয়া গ্রামের জামাত আলীর ছেলে ওসমান গনিকে পুলিশে চাকুরী দেয়ার জন্য ১২লাখ টাকা চুক্তি করে। গত ২৬ জুন ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনন্সে কনষ্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার আগেই ৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। তিনি আরও জানান, ওসমান গনির চাকরী হয়নি। এরপর ওসমান গনি প্রতারক চক্রের কাছে টাকা ফেরৎ চাই। কিন্তু প্রতারক চক্রটি টাকা ফেরৎ নাদিয়ে চুক্তি মোতাবেক বকেয়া টাকার জন্য চাপ দেয়। এ বিষয়ে ওসমান গনি কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার সূত্র ধরে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিবি পুলিশের ওসি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি চৌকশদল কৌশলে বুধবার বিকালে প্রতারক চক্রের তিন জনকে টাকাসহ গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য উদ্ধার হওয়া টাকার মধ্যে প্রতারক চক্রের গডফাদার মাহাবুর রহমানের কাছ থেকে ৩ লাখ ৩৩ হাজার, প্রভাষক আমিরুলের কাছ থেকে ২ লাখ ও মুক্তার আলীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২ লাখ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
