লকডাউনে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন ৫০টি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকরা,
মনা,বেনাপোল,প্রতিনিধিঃ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দানের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে কিন্ডার গার্টেন স্কুল। শার্শা উপজেলাতে প্রায় ৫০টি বেসরকারি কিন্ডার গার্টেন স্কুল রয়েছে। লকডাউনের কারনে স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারনে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তারা। গত ফেব্রুয়ারী/২০২০ ইং তারিখ হতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন-কড়ি পাচ্ছেন না বলে ঐ সকল কিন্ডার গার্টেনের ভুক্তভোগী শিক্ষকরা আমাদেরকে জানিয়েছেন। এদিকে, কয়েক টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক/ প্রধান শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মাসিক বেতন আদায়ের উপর শিক্ষকদের বেতন নির্ধারন করায় স্কুলে অতিরিক্ত কোন অর্থ অবশিষ্ট থাকে না। এবং অনেক শিক্ষক টিউশনি করে পরিবার পরিচালনা করে থাকেন। হঠাৎ করোনার আঘাতে সে সমস্ত পরিবারে দূর্যোগ নেমে এসেছে।
শার্শা উপজেলাতে ৫০ টি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্ডার গার্টেন গুলোয় নাম মাত্র বেতনে চাকুরী করেন প্রায় ৫০০ জন শিক্ষক। যারা ৫০০ টি পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। যেহেতু বিদ্যালয়ের শিশু-শিক্ষার্থীদের বেতন ও কোচিং ফি থেকেই শিক্ষকদের বেতন ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখন শিক্ষকদের বেতন পাওয়ার কোন সম্ভাবনা ই নেই।
অত্র উপজেলার সকল কিন্ডার গার্টেন স্কুলের পক্ষ হয়ে উলাশী কিন্ডার গার্টেন এর প্রধান শিক্ষক-জাহিদ হাসান আব্দুল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তা কামনা করেছে বাংলাদেশ কিন্ডার গার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান এম ইকবাল বাহার চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে লেখা এক চিঠিতে জানিয়েছেন, ‘কিন্ডারগার্টেন তথা ব্যক্তি মালিকানাধীন স্কুল এবং কলেজগুলো সরকার বা অন্য কোন সংস্থার কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত। ঐ চিঠিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৭২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রনোদনা প্যাকেজ এর আওতায় কিন্ডার গার্টেন শিক্ষকদের এনে তাদের পরিবার বাঁচানোর জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রের দাবি'র প্রতি সমর্থন জানিয়ে জাহিদ হাসান আব্দুল্লাহ শার্শা উপজেলার ৫ শত শিক্ষকদের এবং তাদের পরিবারগনের মানবেতর জীবন-যাপনের হাত থেকে রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা থেকে অর্থ ছাড়ের জন্য ৮৫,যশোর-১ শার্শা আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
