কাশিয়ানীর বিপ্লব চৌধুরীকে নিয়ে ফেসবুকে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদ ।
কাশিয়ানী প্রতিনিধিঃ-
আমি বিপ্লব চৌধুরী "মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ" কাশিয়ানী উপজেলা শাখার সভাপতি ও কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের একজন কর্মী। আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম(ফেইসবুকে) একটি মহল যে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য অপপ্রচার করছে। আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সত্য ঘটনা না জেনে আমাকে নিয়ে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে, সেটা আমি বিস্তারিত তুলে ধরছি; মূলত কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়া হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করা হয়েছিল। তাই তাদের প্রতিহত করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিগুলো একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ শুরু করে একটি সংগঠন নাম দেওয়া হয় "মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ"।
আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের মতের সঙ্গে একমত হয়ে মিলিত হই। সংগঠন আমাকে কাশিয়ানী উপজেলার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়। কিন্তু কিছু দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের অফিসিয়াল পেজে একটি লেখা দেখি ''ছায়া সংসদ'' গঠিত হবে। ছায়া সংসদের কাজ হবে এলাকার সমস্যা গুলো এম.পি মহোদয় কে অবহিত করা, এলাকার উন্নয়নে সহযোগিতা করা, এম.পি মহোদয়ের জনসংযোগে কর্মীদের নিয়ে উপস্থিত থাকা, এলাকার জনবান্ধব কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করা ও সাংসদের সঙ্গে সংগঠনের সমন্বয় করা।
বিগত ৫/৬ দিন আগে থেকেই এক এক করে আসনের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিনিধির নাম মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের পেজে পোস্ট দিতে থাকে। গত ৩ দিন আগে আমার নামটি দেখতে পাই। আমি বিষয়টি নিয়ে শীর্ষ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। আমি যেহেতু একটি পদে দায়িত্বরত আছি তাই অন্য কাউকে দায়িত্বটি দিতে বলি। আমার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী বিষয়টি বুঝতে না পেরে ফেইসবুকে পোস্ট দেয়। বিষয়টি আমার নজরে আসলে আমি রিমুভ করতে অনুরোধ করি। তারা যথাসময়ে ফেইসবুক থেকে পোস্টটি রিমুভ করে দেয়।
কিন্তু গতকাল থেকে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দল উক্ত বিষয়টিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় করার উদ্দেশ্য বাজে মন্তব্য সহকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি পোস্ট করে। এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক কর্মকান্ড। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
আমাদের কাশিয়ানী উপজেলার দুইজন অভিভাবক জননেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম এম.পি মহোদয় ও জননেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এম.পি মহোদয়। যারা দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছেন। আমি তাদের প্রতি শতভাগ আস্থা ও বিশ্বাস রাখি। আমাদের এলাকা সম্পর্কে তারা অবগত আছেন। কারো জানানোর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।
আমাদের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। দীর্ঘ দিন সুনামের সঙ্গে আমাদের পরিবার থেকে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ কে নেতৃত্ব দিয়েছে। মেম্বার, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত আসনের) আমাদের পরিবার থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। আমি ও তার ব্যাতিক্রম নয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য, জননেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম এম.পি ও জননেতা মুহাম্মদ ফারুক খান এম.পি মহোদয়ের নির্দেশে, দলকে সুসংগঠিত রাখতে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনা।
