শার্শার নাভারন সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড লক ডাউন।
মনা বেনাপোল(যশোর)ঃ
প্রতিনিধিঃ মহামারী করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে প্রশাসনের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলাকে রেড জোন ঘোষণা করায়, তার আওতাধীন এলাকা শার্শা উপজেলার নাভারণ সদর ও বেনাপোল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণরুপে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর থেকে উপজেলার নাভারণ সদরের কাজিরবেড়, নাভারন রেলবাজার, উত্তর ও দক্ষিণ বুরুজবাগান এবং বেনাপোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড নামাজগ্রাম ও দূর্গাপুর গ্রামকে সম্পূর্ণ রুপে লকডাউনের আওতাভুক্ত করা হয়।
এসময় সেখানে উপস্থিত থেকে বাঁশের বেড়া দিয়ে তাতে লকডাউন ব্যানার টাঙিয়ে এর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোরশেদ আলম, বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান সহ প্রশাসন ও পৌরসভার কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দুর্গাপুর গ্রামের অনেক নাগরিক তাদের ওয়ার্ড লকডাউন প্রসঙ্গে অভিযোগ করে বলেন, শুধুমাত্র তারা ফেসবুকে দেখেছে বাস্তবে তারা কিছুই জানে না ৷ তাদেরকে এ বিষয়ে কোনো সচেতন করা হয়নি, রেড জোনের মধ্যে বিধি-নিষেধ অনুযায়ী কি কি সুযোগ সুবিধা থাকবে সেটাও তারা জানে না ৷কতদিন লকডাউন থাকবে সে বিষয়ে তারা অবগত নয়৷
লকডাউন এর বিষয়টি নিয়ে পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায় ,আগামীকাল মাইকিং করে নাগরিকদের সতর্ক ও অবহিত করা হবে৷ তিনি আরো জানান লকডাউন এর সময়সীমা ২১ দিন বলবৎ থাকবে৷
শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস দেশে দিন দিন ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে। ইতিমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। তাই সরকারি সীদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। রেড জোন, ইয়োলো জোন ও গ্রীন এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে করোনা প্রাদুর্ভাবে দেশকে। সেই সাথে দেশে রেড জোন এলাকা লকডাউনভুক্ত ঘোষণা করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এসব এলাকা লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।
