বেনাপোলে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ৩০ টাকা।
মনা বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধিঃ
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বাড়লেও খোলাবাজারে কমেনি দাম। ১৭ টাকায় আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। একহাত বদলে বেড়েছে কেজিতে ১৩ টাকা। এতে চাহিদামত নিত্য প্রয়োজনীয় এ খাদ্য দ্রব্যটি কিনতে না পেরে বেকায়দায় পড়েছেন ক্রেতারা। তবে বাজারের আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের দাবি তারা খুরচা ব্যবসায়ীদের কাছে ২০ টাকা দরে কেজি বিক্রি করছেন।
সাধারণ ক্রেতাদের দাবি, তারা একেক জন একেক রকম দাম নিচ্ছেন এতে বেকায়দায় পড়েছেন সাধারণ জনগণ। বাজার কমিটি বা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না বাড়ালে এটি নিয়ন্ত্রনে আসবে না জানান তারা।
ক্রেতারা বলছেন, এমনিতেই কাজ নেই। এরমধ্যে বর্তমান সময়ে অন্যায় করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের এত দাম বাড়ালে কিভাবে বাঁচা যায়।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় আড়াই মাস ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ছিল। কিছু দিন হলো এ বন্দরের রেল ও স্থলপথে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য দ্রব্যসহ পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তবে আমদানি বাড়লেও খোলাবাজারে কোনভাবে কমছে না এর মূল্য। বাজার কমিটির বা প্রশাসনের তেমন কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকায় খুশিমত সাধারণ ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন বিক্রেতারা।
পেঁয়াজ আমদানিকারক শেখ এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মাহাবুব রহমান ডলার বলেন, প্রতি মে.টন পেঁয়াজ ভারত থেকে ১৫৫ ডলার মূল্যে আমদানি করা হয়েছে। অনান্য খরচ রয়েছে কেজিতে আড়াই টাকার মত। আড়তদারদের কাছে তারা বিক্রি করছেন কেজিতে ১৮টাকা দরে।
বেনাপোল বাজারের পেঁয়াজের আড়তদার ব্যবসায়ী তপন দে বলেন, আমদানিকারকদের কাছ থেকে কেনার পর খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে তারা প্রতি কেজি ২০ টাকায় বিক্রি করছেন।
খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা শাহিন বলেন, কেনার পর অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয় তাই একটু বেশি দামে বিক্রয় করতে হয়।
এদিকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধিতে খুশি পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক চালকেরা। করোনার কারণে এতদিন তারা পণ্য পরিবহন করতে না পেরে অসহায়ের মধ্যে পড়েছিল।
বেনাপোল বন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক খোদা বক্স লিটন বলেন, ২০ জুন ভারত থেকে ৬৪ ট্রাক খাদ্য দ্রব্য জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। এরমধ্যে ৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ ছিল। এছাড়া অন্যান্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে মাছ, মরিচ, পানপাতা ও আনারসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য।
