তেরখাদাউপজেলায় অপরিকল্পিতভাবে খাল কাটার কারণে হাড়িখালি গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা ।
খুলনা ব্যুরো প্রধান জিয়াউল ইসলামঃ
তেরখাদা উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামের অকেজো খালগুলো গত দুই বছরে স্থানীয় সরকারের উন্নয়নের বরাদ্দকৃত অর্থের মাধ্যমে খনন করা হয়। তাতে জনগনের উপকার কতটা হবে বা হয়েছে সেটা জানিনা কিন্তু থানার বিভিন্ন এলাকার কার্পেটিং এর রাস্তাগুলো রক্ষা করার কোন রূপ ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই খাল কাঁটার কারনে শেষ হয়ে গেছে। গত কয়েক দিনের বিশাল বৃষ্টির কারনে বর্তমানে একেবারেই অকেজো হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, হাড়িখালী, মান্দারতলী থেকে হাড়িখালী হাইস্কুল হয়ে ছাগলাদাহ ব্রিজ পর্যন্ত যে রাস্তাটি (প্রায় ৫ কিলোমিটার) বয়ে গেছে তার সচিত্র এখানে উপস্থাপণ করলাম। সত্যিকথা বলতে কি, এই রাস্তাটি দিয়ে গ্রামের লোকজন ছাড়াও আশেপাশের চার পাঁচটি গ্রামের মানুষও ভ্যান ও ইজিবাইক যোগে সহজেই যাতায়াত করতো। মাস্টার শাহারুল ইসলাম বলেন, গ্রামের শত শত লোকের আবেদনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে সরকারে কাছে অতীব বিনয়ের সাথে প্রার্থনা করছি যেন অনতিবিলম্বে রাস্তাটি রক্ষার্থে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মর্জি হয়। গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃশাহারুল ইসলাম (শিক্ষক), মোঃ বাহারুল ইসলাম (ঈমাম), শেখ শরীফুল ইসলাম (এসপি),মোঃরবিউল ইসলাম (লেফটেন্যান্ট কর্নেল), আশরাফুল আলম বাবু (শিক্ষক), জাবের উল্লাহ (শিক্ষক), ডাঃ মাহাবুর রহমান (ডাক্তার),শেখ সালাহ উদ্দিন লাভলু (কন্ট্রাক্টর), শেখ আরিফ হাসান(শিক্ষক), মোঃআরিফুজ্জামান (প্রধান শিক্ষক- হাড়িখালী হাইস্কুল), শেখ মাহাবুবুর রহমান (শিক্ষক), শেখ সাইফুল ইসলাম (চাকুরী- ডিসি অফিস), মোঃ তাহিদুল ইসলাম (চাকুরী-ভূমি অফিস). শেখ সেলিম আহম্মেদ (এসিস্ট্যান্ট হেড মাস্টার),শেখ টিপু সুলতান (সভাপতি,বি আর ডি বি), শেখ খায়রুজ্জামান টুকু( অবঃ শিক্ষক, ঈমাম)। এছাড়াও গ্রামের অনেক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট একান্ত চাওয়া রাস্তাটির পূনঃ সংস্কার হোক দ্রুততম সময়ে।
