মুকসুদপুরে জনপ্রিয় দার্শনিকের নামে মিথ্যে অভিযোগ - জনমনে চরম ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা।

 প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২০, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন   |   জাতীয়


প্রতিবেদক - মোঃ রফিকুল ইসলামঃ


গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মধ্যে আপনাকে একটি আদর্শ গ্রাম নির্নয় করতে বলা হলে দ্বিধাহীনভাবে যে গ্রাম টিকে 'অটোমেটিক চয়েজ' এর তালিকায় আপনাকে ফেলতে হবে সেটি হলো - "বাঁশবাড়িয়া"..।

মাঝখানে কুমার নদের শাখা বেষ্টিত গাছ-গাছালি ও পাখিদের

অভয়ারণ্য(বড় ভিটা-যেটা তৎকালীন জমিদার পিজোর উদ্দিন দারোগার) ছবির মতো সাজানো এ গ্রামটিতে রয়েছে ইউনিয়নের সরকারী সকল প্রতিষ্ঠান( ইউনিয়ন ভূমি অফিস,ডাক ও টেলিযোগাযোগ অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ,সরকারী পশু হাসপাতাল - যেটার জমি মরহুম আবুল কালাম আজাদ খোকা মিয়া দান করেছেন)

এছাড়াও দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি এতিম খানা ঐতিহ্য বাহী এ গ্রামকে করেছে সমৃদ্ধ ।  গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রথম সাংসদের(নজীর আহাম্মদ তালুকদার-১৯৭৩) বাড়ী থাকার সুবাদে এই গ্রামের নামেই হয়েছে মুকসুদপুর উপজেলার প্রথম ইউনিয়নের নাম ।

এছাড়াও অনেক বীর সন্তানের নাম আসবে এই পূণ্যভূমির দোসর হিসেবে ।

যেমন - 

১! মৌলভী আহাম্মদ(যিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মধ্যে ইংরেজীতে সর্ব প্রথম এম,এ পাস করে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ফরিদপুরে যোগদান করেন,তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ফরিদপুর ডি,সি অফিসে এখনো উনার ছবি সফেদ দেয়ালে টাঙানো আছে )

২! মেহের তালুকদার

৩ ! আবুল খায়ের তালুকদার

৪! ফিরোজ তালুকদার

৫! নুরুজ্জামান টুলু মিয়া 

৬! ইব্রাহিম মিয়া (তৎকালীন পঞ্চায়েত ) 

এবং 

বর্তমান সময়ের মধ্যে সর্বজন স্বীকৃত জনপ্রিয় মানুষ,যুব-সমাজ,অসহায় মানুষ,মা ও মাটির নেতা


৭ ! দার্শনিক বদরুজ্জামান এজাজ ..


জুয়া,সুদ,ঘুষ, মারামারি ও হানাহানিতে অন্ধকারাচ্ছন্ন

এই ঐতিহ্য বাহী গ্রাম ও ইউনিয়নকে আলোক বর্তিকা 

হাতে নিয়ে যে মানুষটি কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দিবা-নিশি..

তিনি আর কেউ নন - জনাব বদরুজ্জামান এজাজ যে কিনা  তৎকালীন জনপ্রিয় ও দানশীল জমিদার পিজোর উদ্দীন দারোগার বংশধর ও সাবেক সফল চেয়ারম্যান মরহুম নুরুজ্জামান টুলু মিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র !

যিনি ভয়ঙ্কর করনায় ঢাকাতে লকডাউন নামক বন্দী খাঁচায় আটকে থেকেও এলাকার প্রায় ৩০০ টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দান করেছিলেন !

প্রায় ৪ মাস পর গত বৃহস্পতিবারে বাড়িতে এসেছেন..

শুক্রবারে জুম্মার নামাজ শেষে একটা মিটিং ছিলো,সেটা শেষ না হতেই জানতে পারলেন তাঁর বাড়ির পাশেই ফুটবল খেলা হচ্ছে ! এই করনার মধ্যেও ফুটবল খেলা !

বিষয়টি তাকে ভাবিয়ে তোলার কারনে মাঠে গেলেন বাচ্চারা খেলতে নেমেছে - মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে

নিষেধ করেনি ! কিছুক্ষণ পরেই টিএনও ম্যাডামের ফোন(জনাবা তাসলিমা আলী) -"আপনি কি বদরুজ্জামান এজাজ বলছিলেন... আমি জানতে পারলাম আপনি একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট ছেড়েছেন এবং এখনো মাঠে উপস্থিত আছেন"

জনপ্রিয় নেতার উত্তর - না ম্যাডাম আমি সু-দীর্ঘ ৪ মাস পরে গতকাল বাড়িতে এসেছি..

ম্যাডাম বিশ্বাস করলেন এবং নেতাকে দায়িত্ব দিলেন খেলাটা তাৎক্ষণিক ভাবে বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ! নেতার নির্দেশে খেলা বন্ধও হলো !


কিন্তু ...

এখন কথা হলো ..

কে এই দুষ্কৃতকারীরা..?

মাদক ,সুদ,ঘুষের বিরুদ্ধে অভিযান হলে কাদের এতো বড় ক্ষতি হয়..??

ঐতিহ্য বাহী গ্রামের হারানো ঐতিহ্য ফিরে আসলে কাদের স্বার্থের ব্যাঘাত ঘটে..?

যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়ে আলোর পথ দেখালে কার এতো ক্ষতি..?

যেহেতু দার্শনিক বদরুজ্জামান এজাজ বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের

সবসময় উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এটা কাদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার পথে

অন্তরায় ?

এলাকাবাসী জানতে চায় !

আজ প্রতিবাদে ফুলেফেঁপে উঠছে পুরো যুব সমাজ ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী ।

আমাদের সাংসদ ফারুক খান সবসময়ই মাদক নিয়ে তৎপর !

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তরুণ বলেছেন : "কতটা নীচু মনের অধিকারী হলে এতো ছোট একটা কাজ করা যায়..?

এমন একজন জনপ্রিয় মানুষের

নামে মিথ্যে অভিযোগকারীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি,এরা ইউনিয়নের শত্রু,দেশের শত্রু,জাতির শত্রু,

ঐক্যবদ্ধ ভাবে এদের মোকাবেলা করতে হবে" !

জাতীয় এর আরও খবর: