নড়াইলে পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রকৃত সত্য ঘটনা তদন্তের জন্য একজন মায়ের সংবাদ সম্মেলন।

 প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২০, ১২:০০ পূর্বাহ্ন   |   জাতীয়


নড়াইল স্টাফ রিপোর্টারঃ


নড়াইল পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রকৃত সত্য ঘটনা তদন্তের জন্য সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক অ*সহায় মা জনাবা মিল্লাত আরা মিলু। রবিবার (২৮ জুন) বেলা ১০টায় শহরের দক্ষিণ নড়াইলের নিজ বাসভবনের সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।


লিখিত অভিযোগে সাংবাদিকদের জানান, আমার ছেলে যুবায়ের গত বছরের প্রথম দিকে নগদ ও রবি সিম রেজিষ্ট্রশনের প্রজেক্টে কাজ করতো। কাজ বন্ধ থাকায় গত বছরের জুন মাসে সুমন নামের এক ছেলে কাজ দেবার কথা বলে নিয়ে ট্রেনিং করিয়ে ২টা ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন দিয়ে আরো ২টা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে বলে ভালো একটা মোবাইল কিনে।


সুমনের কথায় ১৪ হাজার টাকা দিয়ে স্যামসাং মোবাইল কিনে যুবায়ের তার বন্ধু সোহান ও আররাফ কে নিয়ে উক্ত ফিঙ্গার মেশিন দিয়ে আইডি কার্ড ও ফিঙ্গার প্রিন্ট এর বিনিময়ে সাবান দেওয়ার কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে যুবায়েররা জানতে পারে সুমনরা সাবান দেওয়ার আড়ালে মোবাইল সিম রেজিষ্ট্রশন করতেছে।


তখন তারা কাজ বন্ধ করে পুলিশ সুপারের কাছে উক্ত বিষয় খুলে বললে পুলিশ সুপারের নির্দেশে থানায় জিডি করে রেজিষ্ট্রেশনকৃত মোবাইল সিম গুলো বাতিল করে ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন ২টা সিজ করা হয়। এর তিন মাস পরে এক ডিবি পুলিশ যুবায়েরকে ফোন করে থানায় ডেকে নিয়ে আটক করে উক্ত স্যামসাং মোবাইলটা নিয়ে সাইবার ক্রা*ইমে ৮জনের নামে মামলা দেয়।


উক্ত মামলার ১ নম্বর আসামী সুমন যুবায়েরকে বলে তাদের জামিনের ব্যবস্থা ও ক্ষতিপুরণ দিবে। পুলিশের কাছে জবানবন্দিতে সুমন বলে আমি যুবায়ের, আররাফ, সোহানদের কাজ দেই কিন্তু মোবাইল সিম রেজিষ্ট্রেশনের কথা বলিনি। সেই সুবাদে ২ মাস পর যুবায়েরের জামিন করানো হয়। আসামী সুমন ও সোহান জেলে থাকে। গত পরশু সুমনের জামিন হলে জে*লগেটে যুবায়ের দেখা করতে গেলে সুমন আমাদের বাসায় আসে। সুমনের কাছে কোন ফোন না থাকায় আমার ছেলে যুবায়েরের মোবাইল ফোন দিয়ে সুমন তার বাড়িতে এবং তার পরিচিত কয়েকজনকে ফোন করে।


আমার ছেলে যদি অপহরণ করবে তাহলে তার নিজ নামের রেজিষ্ট্রেশনকৃত সিম দিয়ে ফোন কেন করবে ? এবং আমার বাড়িতে সুমনকে কেন রাখবে? বা আমার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে কেনইবা আসতে বলবে ? তাই আমি আপনাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ সত্য ঘটনা তদন্ত করের আমার নিষ্পাপ ছেলে যুবায়েরের নিঃশর্ত মুক্তি চাই। উল্লেখ্য, যুবায়ের সহ ৪জনের নামে সুমনকে অপহরণের মামলা হয়। এবং যুবায়েরকে আটক করে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় এর আরও খবর: