খুলনা সিটি কর্পোরেশনের গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপার কে বেধড়ক মারপিট।

 প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২০, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন   |   জাতীয়


খুলনা ব্যুরো প্রধান জিয়াউল ইসলামঃ


গত ২৮/০৬/২০২০ ইংরেজি তারিখ রবিবার সকাল  ১১ ঘটিকার সময় খানজাহান আলী থানাধীন কেসিসি ২ নং ওয়ার্ডের সোনালী জুটমিলের গেটের সামনে সিটি কর্পোরেশনের গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপার কে বেধড়ক মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গিয়াছে। সরেজমিনে ঘুরে এর সত্যতা পাওয়া যায় ব্যাক হুইলডারের  গাড়ির ড্রাইভার লিটন (৪০) পিতা আমজাদ হোসেন । ২৬ নম্বর ওয়ার্ড  নিরালা খুলনা জানান । আমরা সিটি কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে তিনটি ট্রাকে মাটি সরানোর কাজ করার কাজে নিয়োজিত ছিলাম ইতিমধ্যে  একটি ট্রাক ফিরে আসার সময় সোনালী গেটের সম্মুখে দুইটি মোটরসাইকেলে করে  ৬ জন লোক ট্রাক টির  দুই পাশ দিয়ে অতিক্রম করে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে।  এবং গাড়ির হেলপার কে গাড়ি থেকে নামিয়ে ইচ্ছামত মারপিট করতে থাকে এসময় ট্রাকের ড্রাইভার মারপিট ঠেকানুর উদ্দেশ্যে  গাড়ি থেকে নেমে আসে এবং সন্ত্রাসীবাহিনি কে বলে  আমরা সিটি কর্পোরেশনের লোক আমরা তো আপনাদের কাজ করতে এসেছি এভাবে সিটি কর্পোরেশনের লোকদের গায়ে হাত দেওয়া কি ঠিক এ কথা বলা মাত্র আমাকেও কিল ঘুষি মারা শুরু করে একপর্যায়ে আমি দৌড়িয়ে একটি গলির ভেতর ঢুকে  যেয়ে নিজের জীবন রক্ষা করি এবং আমার গাড়ির হেলপার মোঃ শুভ (২৫) পিতা সেকেন্দার গ্রাম সাসিবুনিয়া, ডুমুরিয়া কে ওই সন্ত্রাসী বাহিনী পায়ের নিচে ফেলে ইচ্ছামত মেরে গুরুতর আহত করে পরে তাকে ধরাধরি করে সিটি কর্পোরেশনের ট্রাক দিয়ে দ্রুত চিকিৎসার জন্য খুলনা সদর হাসপাতালে পাঠায় এ ব্যাপারে দুই নাম্বার ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে,  এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত স্পাইডার আলামিন সহ ৬ জন ছিল এখনো পর্যন্ত অন্য কারো নাম পাওয়া যায় নাই তবে তিনি সব খোঁজখবর নিয়ে থানায় মামলা করার কথা থাকলেও এই ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে এবং পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা সুস্থ হয়ে এসে মামলা করবেন বলে ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম  জানান   ।

জাতীয় এর আরও খবর: