মুকসুদপুর থানার ওসির নামে অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

 প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২০, ০৫:১৬ অপরাহ্ন   |   রাজনীতি


রিপোর্টারঃ আমিনুল ইসলাম তামিম ঃ

গত কাল অনলাইন একটি পত্রিকায় কিছু ভুল তথ্য দিয়ে নিউজ করা হয় দিস্তাইল গ্রাম কে নিয়ে। সেখানে বলা হয় মুকসুদপুর থানা এক পক্ষের মামলা নিয়েছে  অন্য পক্ষের মামলা নেয়নি,,,,,  মুকুসুদপুর থানা মিথ্যা মামলা কিভাবে নিবে???গত-৩-৪-২০২০ রাত-৮ঘটিকায়ে ইসলাম ও মিলটন এবং জাকির কাজির নেত্বিত্বে সেলিম ডাকাত সহ-৭০/৮০। জন আমাদের হায়াৎ খন্দকার এর বাড়ি হামলা করে, হামলায় -৮ জন গুরুতর আহত হয় এর মধ্য-৩ জন গুরুতর আহত হয়।তাদের ফরিদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।অন্যরা মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়।তাহলে মুকসুদপুর থানা কাদের মামলা নিবে?? তারা যে  দরখাস্ত করেছে তা সম্পূর্ণ  মিথ্যা প্রমান হওয়ায় মুকসুদপুর থানা অফিসার তাদের দরখাস্ত জমা রাখেনি। গোপালগঞ্জ থেকে পুলিশ সার্কেল এসে এ ঘটনা তদন্ত করে দেখেছে  ইসলম ও মিলটন খন্দকারের এবং জাকির কাজি নেতৃত্বে  পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা হামলা সাজিয়েছে । দেশের এই দুর্যোগময় সময় যারা হামলা মারামারি করে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক সাস্তি দেওয়া হোক।


গত ০৩/০৪/২০২০ তারিখ রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকায় জাকির কাজি, ইসলাম খন্দকার মিল্টন খন্দকার এর হুকুমে এক যোগে হায়াত খন্দকারের বাড়িতে হামলা করিয়া হায়াত খন্দকার এর বসতি ঘর,মিলু খন্দকার এর বসতি ঘর এবং হাবিল খন্দকার এর বসতি ঘর ভাংচুর করে।এ সময় হায়াত খন্দকার ও অনান্য লোকজনের চিতকার শুনে পাড়া প্রতিবেশী ও নিকট আত্নীয়রা ছুটে আসে।এমতাবস্থায় তারা বাধা দিলে তাদেরকেও আক্রমণ করে এ পরিস্থিতিতে তাজউদ্দিন খন্দকারের  মাথায় গুরুতর আঘাত করে।  এ সময় পাশের গ্রামের লোকজন আক্রমন ঠেকাতে আসলে তাদের উপরও হামলা করা হয় এবং তারাও গুরুতর আহত হয়।আহতদের মধ্যে  শাহানাজ মুন্সি, কানন মুন্সি, সুবহান সদ্দার, ফয়জুল, আরিফ মুন্সি,চান মিয়া। তাদেরকে মুকসুদপুর সদর হাসপাতাল এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।গত ০৪/০৪/২০২০ তারিখে এই ঘটনার জেরে মুকসুদপুর থানায় মামলা হয়।মুকসুদপুর থানার মামলা নং ০৩/৭৪,  বর্তমানে  জাকির কাজি ডাকাত দলের সর্দার সেলিম খন্দকার কে নিয়ে গ্রামের নিরিহ লোকজনকে খুন জখম করার হুমকি দিচ্ছে। এবং হায়াত খন্দকার কে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

রাজনীতি এর আরও খবর: