ঝিকরগাছা হাজিরবাগ ইউনিয়নে ইমাম নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ আহত-১০
আব্দুল জব্বার, যশোর জেলা ব্যুরো প্রধান,
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৯ নং হাজিরবাগ ইউনিয়নের দেউলি (সামটা) গ্রামে আজ ১৫ ই এপ্রিল শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ইমাম অব্যহতি ও নতুন ইমাম নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যপক সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানাযায়। দুই পক্ষের যারা হতাহত হয়েছেন বলে জানা যায়।
প্রথম পক্ষ শহিদুল ইসলাম (৩৮), পিতা সিরাজুল ইসলাম, রিঙ্কু (৪০), পিতা সিরাজুল ইসলাম, সেলিম রেজা (৪০), পিতা মহসিন, মুক্তার আলী (৪৩), পিতা এরশাদ, নজরুল (৪৮), পিতা রওশন, শফিকুল ইসলাম (৪০), পিতা রওসন, সোহরাফ(৫০), পিতা মুক্তার আলী,
চয়ন (২৭), পিতা সোহরাব, আব্দুস সামাদ (৪৬), পিতা আব্দুল আজিজ, আনারুল (৩৬), পিতা মহাসিন সর্ব সাং দেওলী, ঝিকরগাছা -যশোর।
দ্বিতীয় পক্ষ, বিসা (৪৫), পিতা নাজের আলী, হযরত আলী (৪৫), পিতা নাজের আলী, বিপ্লব হোসেন (২৭), পিতা হযরত আলী, মাসুম (২৭), পিতা হযরত আলী, আরসাদ আলী (৫৫), পিতা নাজের আলী, শওকত আলী (৬০), পিতা নাজের আলী, আরিজুল ইসলাম (৪৪), পিতা মফেজ উদ্দিন, মফিজুর (সাইট) পিতা নাজির, নূর হোসেন (৬০), পিতা বাদু, রিপন (৩০), পিতা নূর হোসেন, আলী হোসেন (৫৫), পিতা বাদু সর্ব সাং দেউলি থানা ঝিকরগাছা জেলা যশোর।
নিউজ অনুসন্ধানে যেয়ে জানা যায়, যে মসজিদের ইমাম জনৈক আব্দুর রউফ, গ্রাম সাতমাইল, শার্শা - যশোর।
এই ইমাম সাহেব দীর্ঘ ৩ বছর যাবৎ মসজিদের ইমামতি করে আসছেন, তিনি তিন মাস যাবত অসুস্থ নামাজ কালাম নিয়মিত পড়াতে আসতে পারেন না, প্রথম পক্ষ ইমাম পরিবর্তন করতে চায়, যেহেতু সে অসুস্থ নামাজ ঠিকমত পড়াতে আসতে পারেন না। কিন্তু দ্বিতীয় পক্ষ ইমাম পরিবর্তন করিতে চায় না, আর ও একটু অপেক্ষা করে দেখবে বলে।
কারন দির্ঘদিন ওই ইমাম আছে,তার অসুস্থতার কথা বিবেচনা করে আরও অপেক্ষা করার কথা বললে সাথে সাথে প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে ইমাম রাখবে না বলে হামলা করেন বলে সাংবাদিকে জানান দ্বিতীয় পক্ষ। ওই সকল ঘটনা কে কেন্দ্র করে আজ জুম্মার নামাজ শেষ হওয়ার পর উভয় পক্ষ ইমাম নিয়ে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে না পারার কারণে বাক বিতন্ডতায় জড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতি ও পরে লাঠি সুঠা নিয়ে প্রথম পক্ষ প্রচন্ড ভাবে আক্রমণ করলে দ্বিতীয় পক্ষের অনেকেই মারাত্মক ভাবে আহত হয়। এবং দ্বিতীয় পক্ষের অন্তত ১০ জনের অধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে জানাযায়।
আহতদের কে ঝিকরগাছা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করলে কারও কারও অবস্থা আশংকা জনক দেখা দিলে তাদেরকে পরবর্তীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল যশোরে রেফার্ড করে ভর্তি করা হয়েছে বলে সর্বশেষ জানা যায়।
বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ও জানতে চাইলে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ কামরুজ্জান আলোচিত বার্তা নিউজের সাংবাদিককে বলেন, যে ঘটনা সত্য, উভয়ই হতাহত হয়েছেন, ও কেউ কেউ হাসপাতালে ও ভর্তি হয়েছে, ওসি স্যার ও স্পটে আছেন, এখন আর কোন সমস্যা নাই পরিস্থিতি সাভাবিক। মামলার ব্যপারে জানতে চাইলে বলেন, যে এখনো কোন অভিযোগ হয়নি। এই মুহূর্তে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানা যায়।
