সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ প্রধান শিক্ষক নুরুল হুদার বিরুদ্ধে

 প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন   |   শিক্ষা


মাটিরাঙ্গা,খাগড়াছড়ি।

অনিয়ম, দুর্ণীতি ও নিয়োগ বানিজ্যের আরেক নাম গোমতি বি.কে উচ্চ বিদ্যালয়। প্রায় ৫ একর জায়গা জুড়ে রাজকিয় ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে থাকা বিদ্যালয়টি বাহির থেকে দেখতে দৃষ্টি নন্দন হলেও এর ভিতরে রয়েছে অসংখ্য দূর্ণীতি। মূলত অভিযোগগুলো স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। যিনি অত্র বিদ্যালয়ে যোগদানের পর বিগত প্রায় ৩ বছরে দফায়, দফায় অর্থ আত্মসাৎ, চেক জালিয়াতি সহ নিয়োগ বানিজ্যের মত গুরুতর অপরাধে জড়িয়েছেন নিজেকে। 


২০২০ সালে মোঃ নুরুল হুদা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহনের এক বছর না পেরোতেই বিদ্যালয়ের ক্যাশ বইয়ে জমা হয়নি এমন বিভিন্ন খাতের তিন লক্ষ ছত্রিশ হাজার এক টাকা আত্মসাৎ করেন। বিদ্যালয়ের হিসাব নিরিক্ষণ কমিটির প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন অভিযোগ। এতে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক রশিদ বিহীন বিভিন্ন খাতের টাকা আদায় করে বিদ্যালয়ের ক্যাশ বইয়ে বা ব্যাংকে জমা করেননি। যাহা আত্মসাৎ বলিয়া প্রতীয়মান হয়। 


সরকারি গেজেট অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যায় করার জন্য হাতে নগদ সর্বোচ্চ  ৫হাজার টাকা রাখতে পারে এর বেশি লেনদেনের জন্য ব্যাংক এবং রশিদ বই ব্যাবহার করতে হবে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নুরুল হুদা নিয়ম বহির্ভূত এসব কাজ করেছেন বীরদর্পে।


সম্প্রতি বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ  আল মামুনের স্বাক্ষর জাল করে দুই লক্ষ পনের হাজার টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল হুদা।এছাড়াও নিজ ক্ষমতা বলে ৬ লক্ষ টাকা বানিজ্যের মাধ্যমে বিদ্যলয়ে একজনকে নিয়োগ দিয়েছেন এমন অভিযোগও রয়েছে এ গুনধর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।


এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।


শিক্ষা কার্যালয়ের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থেকে অনিয়ম, দূর্ণীতির মাধ্যমে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়াকে গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক ও অভিভাবকরা।

শিক্ষা এর আরও খবর: