লালপুরে তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাশ

 প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১২ অপরাহ্ন   |   শিক্ষা



 


লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ


সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে নাটোরের লালপুরে ৭৭ টি স্কুল,স্কুল এন্ড কলেজ এবং মাদরাসার মধ্যে মাত্র তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাশ করেছে। এর মধ্যে একটি স্কুল,একটি স্কুল এন্ড কলেজ এবং একটি মাদরাসা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং বালিতিতা আশরাফুল উলুম ফাজিল মাদরাসা। এছাড়া এ বছর উপজেলায় মাধ্যমিকে ও মাদরাসায় ২০১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ -৫ পেয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ১৯৬ জন, এবং মাদরাসায় ৫ জন জিপিএ -৫ পেয়েছে। 


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়,এ বছর উপজেলায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩ হাজার ৮৪০ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে মাধ্যমিকে এসএসসিতে ২ হাজার ৭৯৪ জন, এসএসসি ভোকেশালে ৬৮৯ জন এবং মাদরাসার দাখিলে ৩৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে মাধ্যমিকে পাশ করেছে ২ হাজার ৭৩৭ জন, মাদ্রাসায় ৩২৪ জন। পাশের হার মাধ্যমিকে ৯৭.৯৬ এবং মাদরাসায় ৯০.৭৫ ভাগ।


ওয়ালিয়া হাকিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ রাকিব হাসান জানান, তার প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে এবং এর মধ্যে ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন জানান, তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক জন জিপি-৫ সহ শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে, এর আগেও প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ পাশের রেকর্ড আছে। বালিতিতা আশরাফুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাহাবাজ আলী জানান, মাদরাসায় একজন জিপিএ-৫ সহ শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। এ দিকে জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে উপজেলার শীর্ষে অবস্থান করছে লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে ১৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩ জন জিপিএ-৫ সহ ১৫১ জন এবং ভোকেশনালে ১১১ জনের মধ্যে ১৯ জন জিপিএ-৫ সহ ১০৯ জন পাশ করেছে। ২৯ জন জিপিএ-৫ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস হাইস্কুল। বিদ্যালয়টিতে এসএসসিতে ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৬ জন পাশ করেছে। এছাড়া ২২ জন জিপিএ-৫ নিয়ে লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। বিদ্যালয়টিতে এসএসসিতে ১২২ জন অংশ নিয়ে ১১৮ জন পাশ করেছে এবং ভোকেশনাল শাখায় ৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ জন জিপিএ-৫ সহ ৫৯ জন পাশ করেছে।


উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, করোনা মহামারিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার পরিবেশে বিঘ্ন ঘটেছে,তারপরও ফলাফল সন্তোষজনক হয়েছে, তবে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ায় তারা অকৃতকাযের্র তালিকায় পড়েছে।

শিক্ষা এর আরও খবর: